বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
নতুন করে সরকারি মালিকানায় কোনো টেক্সটাইল মিল স্থাপন বা পরিচালনার পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে টেক্সটাইল ও বস্ত্র খাতের সম্প্রসারণে মূল ভূমিকা পালন করবে বেসরকারি খাত। আর সরকার নীতি সহায়তা ও অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে কাজ করবে।
শনিবার রাজধানীর ফার্মগেটে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রোমোশন সেন্টারে আয়োজিত ‘কর্মসংস্থানে টেকসই উত্তরণ: টেক্সটাইল শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি ও পথচলা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় মন্ত্রী বলেন, দেশের টেক্সটাইল শিল্পকে টেকসই ও আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতামূলক করতে হলে আধুনিক প্রযুক্তি, দক্ষ জনবল এবং শিল্প-শিক্ষার সমন্বয় জরুরি। শিল্প খাত দুর্বল থাকলে শিক্ষার্থীদের জন্য স্থায়ী কর্মসংস্থান তৈরি করাও কঠিন হয়ে পড়বে।
তিনি আরও জানান, বিদ্যমান টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোর কারিকুলাম সময়োপযোগী করতে কাজ করছে সরকার। প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিয়মিত পাঠ্যক্রম হালনাগাদের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বিটিএমএ এবং সক্ষম বেসরকারি মিলগুলোর সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমন্বয় বাড়ানো হবে। এতে শিক্ষার্থীরা বাস্তব শিল্প অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে এবং প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়বে।
টেক্সটাইল খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তিনি বলেন, জ্বালানি সংকট, উচ্চ উৎপাদন ব্যয়, কস্ট অব ফান্ড এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা শিল্পের প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করছে। তবে সরকার এসব সমস্যা সমাধানে কাজ করছে। পাশাপাশি ম্যানমেইড ফাইবার, নতুন পণ্য উন্নয়ন এবং ভ্যালু চেইনে উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের টেক্সটাইল খাতকে আরও শক্তিশালী ও রপ্তানিমুখী করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি।
